1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. mahmudkhanssd@gmail.com : Mahamud Khan : Mahamud Khan
অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ - Barisal Express।। বরিশাল ‍এক্সপ্রেস
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আদর্শের টানে আঘাতের ক্ষত হাসিমুখে বয়ে বেড়ান বিএনপি কর্মী দেলোয়ার ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ চেয়ারম্যান জহিরের বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন।। বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ডা. অমিতাভের কাছে হাজারো রোগী এবং তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান জিম্মি —–স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ। ‎মেহেন্দিগঞ্জে ঢুকেই নৌ প্রতিমন্ত্রীর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  পরিদর্শন। অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত বরিশাল প্রেসক্লাবের সদস্য এম মিরাজ আর নেই।
সংবাদ শিরনাম :
আদর্শের টানে আঘাতের ক্ষত হাসিমুখে বয়ে বেড়ান বিএনপি কর্মী দেলোয়ার ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ চেয়ারম্যান জহিরের বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন।। বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ডা. অমিতাভের কাছে হাজারো রোগী এবং তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান জিম্মি —–স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ। ‎মেহেন্দিগঞ্জে ঢুকেই নৌ প্রতিমন্ত্রীর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  পরিদর্শন। অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত বরিশাল প্রেসক্লাবের সদস্য এম মিরাজ আর নেই।

অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ

  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪১ Time View

 

মামুন-অর-রশিদ, বিশেষ প্রতিনিধি :
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নির্মিত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সরকারি বরাদ্দ ও নিয়োগের ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে ইমাম-মুয়াজ্জিন নিয়োগ দেওয়া হচ্ছেনা। ২০১৯ সাল থেকে কলেজের এবং ২০২৩ সাল থেকে হাসপাতালের জন্য বরাদ্দকৃত ইমাম-মুয়াজ্জিনের পদ শূন্য রয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প বেতনে মসজিদের খেদমত করে আসা ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
সরেজমিনে মুসল্লিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় মুসলমানদের নামাজ ও ইবাদত-বন্দেগির সুবিধার্থে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটি নির্মাণ করেন। দেশের অন্যতম বৃহৎ এ হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগী ও স্বজন নামাজ আদায় করেন।
মুসল্লিদের অভিযোগ, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্য পৃথকভাবে একজন করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের পদ বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এসব পদে নিয়মিত নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ২০১৯ সাল থেকে কলেজের এবং ২০২৩ সাল থেকে হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ থাকা ইমাম-মুয়াজ্জিনের পদ খালি রয়েছে। নিয়োগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় সমস্যাটি দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
তাছাড়া মসজিদ পরিচালনার জন্য কমিটি থাকলেও ইমাম-মুয়াজ্জিনের বেতন ও নিয়োগের বিষয়ে কার্যকর কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। পদাধিকার বলে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মসজিদ কমিটির সভাপতি হওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও বিষয়টির সমাধান হচ্ছে না।
মুসল্লিদের আরও অভিযোগ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে ইমাম-মুয়াজ্জিনের সরকারি বেতন-ভাতা না থাকায় তারা চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন। পূর্বের অধ্যক্ষ ডা. ফায়জুল বাশারের সময়ে অফিস থেকে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক সাড়ে ৬ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হতো এবং মসজিদে মুসল্লিদের দেওয়া দানের অর্থ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হতো। তবে বর্তমানে শুধুমাত্র সাড়ে ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া হলেও মসজিদের দানের অর্থ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ নিয়ে নিয়মিত মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ইমাম-মুয়াজ্জিন নিয়োগ এবং তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিষয়টি সমাধানে বরিশাল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও মুসল্লিরা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন বাবলু বলেন, “ইমাম-মুয়াজ্জিন নিয়োগের সরকারি ছাড়পত্রের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সেটি সম্পন্ন হলেই নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া কলেজের ফান্ডে সমস্যা থাকায় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন দিতে সমস্যা হচ্ছে। আর মুসল্লিদের দানের টাকা আমরা নিয়ে যাই এমন তথ্য সঠিক নয়।”

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ .